Loading...
ড. নুরুল আমিন
লেখকের জীবনী
ড. নুরুল আমিন (Dr. Nurul Amin)

গবেষক ড. আমিন [প্রফেসর ড. মােহাম্মদ নুরুল আমিন, সভাপতি (২০১৩-২০১৬) বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক। প্রথম প্রকাশিত লেখা বাঙালির ঐতিহ্য শীর্ষক প্রবন্ধ চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল-বার্ষিকী ‘কিশাের’ (১৯৭১৭২)-এ ছাপা হয়; প্রথম প্রকাশিত কবিতা কৃষক আমি’ ছাপা হয় ১৯৭৩-এ স্থানীয় একটি দৈনিকে। সেই থেকে অব্যাহত গতিতে লেখালেখি, শিক্ষকতা ও গবেষণাকর্ম চালিয়ে আসছেন। সাঁইত্রিশ বছরের অধিক শিক্ষকতা জীবনে কবিতা প্রবন্ধ গবেষণা ও সম্পাদনা মিলিয়ে এ পর্যন্ত তার বইয়ের সংখ্যা চব্বিশ। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি ও এশিয়াটিক সােসাইটিসহ দেশের অন্যান্য উল্লেখযােগ্য প্রকাশনা সংস্থা থেকে তাঁর বইসমূহ প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষার একজন নিবেদিত প্রাণ কবি প্রাবন্ধিক ও একনিষ্ঠ গবেষক হিসেবে তিনি লেখার ক্ষেত্রে সংখ্যার চেয়ে গুণগত মানের প্রতিই অধিক যত্নশীল । লেখায় যেমন ইতিহাসনিষ্ঠ ও শুদ্ধতাবাদী, তেমনি জীবন-যাপনেও শেকড়-সন্ধানী ও যৌক্তিক মানবতাবাদী। জন্ম ৮ নভেম্বর, যদিও স্কুল সার্টিফিকেট অনুযায়ী ১৩ আগস্ট ১৯৫৬। চট্টগ্রামের তৎকালীন সাতকানিয়া থানার চুনতি গ্রামে। বর্তমানে গ্রামের বাড়ি লােহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সুফিনগর। সুফিনগর’ নামটি ১৯৭৩ সালে তাঁরই দেওয়া; সেই প্রত্যন্ত গ্রামে তরুণ বয়সে গড়ে তুলেছিলেন ক্লাব, দাতব্য চিকিৎসালয়, পাঠাগার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান- যার মধ্যে বর্তমানে সুফিনগরস্থ ‘চুনতি শাহ সুফি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উল্লেখযােগ্য। মা হাফেজা খাতুন ১৯৯২-তে এবং বাবা আলহাজ্ব আবুল ফয়েজ ২০০৮-এ প্রয়াত হন। তাঁদের নামে সুফিনগরে একটি এতিমখানা ও শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলেন। ১৯৭৯ সালে ‘অমর একুশে স্মরণে বাংলাদেশ পরিষদ সাহিত্য পুরস্কার, ২০০০ সালে ‘শহীদ নূতনচন্দ্র সিংহ স্মৃতি সম্মাননা’, ২০১০ সালে ‘সাতকানিয়া-লােহাগাড়া সাংবাদিক ফোরাম সম্মাননা’, ২০১৫ সালে ‘আবুল মনসুর আহমদ গবেষণা পুরস্কার’, ২০১৭ সালে ‘ফিদেল কেস্ত্রো এ্যাওয়ার্ড’ এবং ২০১৮ মার্চে ‘প্রিন্সিপ্যাল শাফায়াত আহমাদ সিদ্দিকী গুণীজন সম্মাননা লাভ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ও তাঁর স্ত্রী শিরিনের এক মেয়ে দুই ছেলে।